Wednesday , October 23 2019
Home / ফিচার / বিশ্ব শিক্ষক দিবস

বিশ্ব শিক্ষক দিবস

:
।। সকল শিক্ষকের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা ।।

আজমাল হোসেন মামুন

শিক্ষাদানের মহান ব্রত যার কাজ তাকেই শিক্ষক (ইংরেজি: Teacher) বলা হয়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষোদানের কাজে নিয়োজিতদেরই শিক্ষক বলা হয়। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার কাজে যারা আছেন তাদেরকে শিক্ষক বলা হয় আর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধ্যাপক বলা হয়ে থাকে। শিক্ষকদের জাতি গঠনের কারিগর বলা হয়। কেননা একজন আদর্শ শিক্ষকই পারেন তার অনুসারী দের জ্ঞান ও ন্যায় দীক্ষা দিতে। শিক্ষার্থীর মানবতাবোধ কে জাগ্রত করে একজন শিক্ষক কেবল পাঠদান কে সার্থকই করে তোলেন না, পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে ত্বরাণ্বিত করেন। স্বীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করে তাদেরকে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন।
(তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া)

ইংরেজিতে বলা হয়ে থাকে, A teacher wants to recognize the hard work children have done even though it is expected from some of them.
A teacher believes there are no bad students, just challenging ones.
A teacher will question and teach her students how to question.
A teacher can take criticism from students. A teacher will stay up until midnight to change the next day’s lesson plans because the students said they needed to be taught in a different way then previously taught.

এখন সমাজে শিক্ষকদের অবহেলার চোখে দেখা হয়। অথচ একসময় শিক্ষকদের সমাজে ব্যাপক কদর ছিল। শিক্ষক দেখলেই সাধারণ মানুষ সম্মান করতো। কিন্তু বর্তমানে যত দোষ নন্দ ঘোষ তথা শিক্ষকদের । পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ করলে শিক্ষকের ঘাড়ে চাপে দোষ। শিক্ষার্থী বিপথে গেলেও শিক্ষকদের গালি দিয়ে থাকে অনেক অভিভাবক ।
A Teacher is a Guide, Friend and above all of the Students. একজন শিক্ষক হচ্ছে একজন শিক্ষার্থীর পথ প্রদর্শক, বন্ধু ও সর্বোপরি সবকিছু। কিন্তু এখন সমাজের মানুষ শিক্ষকদের Role Model হিসেবে গণ্য করতে দ্বিধাবোধ করে থাকেন।
শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকের প্রতি অনুরোধ , আমাদের দোষ ত্রুটিগুলো নিজেরা চিহ্নিত করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করি। যাতে আবার সমাজ, রাষ্ট্র বলতে পারে শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সবার ওপরে। কেউ মাস্টার বা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য না করে ডাকে। অন্য পেশা ছেড়ে সবাই শিক্ষকতায় ফিরে আসে। তবে এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকেও শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা বা অধিকার সম্বন্ধে ভাবতে হবে। আসুন শিক্ষকদের সবাই সম্মান করি। শিক্ষকরা জাতি গড়ার কারিগর।
লেখক:
সহকারী শিক্ষক
হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

About Tutul Rabiul

Check Also

অটিজম শিশুদের অধিকার ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল

অটিজম শিশুদের অধিকার ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল

সংবাদটি পড়া হয়েছে : 241 আজমাল হোসেন মামুন: ২ এপ্রিল ১২ তম ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!